সাম্প্রতিক

6/recent/ticker-posts

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের বাংলা বই | PDF

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের বাংলা গাইড বই

বায়োফ্লক প্রযুক্তিকে মাছ চাষের একটি আধুনিকতম টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি বলে মনে করা হয়। বায়োফ্লক হলো প্রোটিন সমৃদ্ধ জৈব পদার্থ এবং অণুজীব, যেমন- ডায়াটম, ব্যাকটেরিয়া, প্রোটোজোয়া, অ্যালগি (শেওলা), ফেকাল পিলেট (মাছের মল হতে পারে), জীবদেহের ধ্বংসাবশেষ এবং অন্যান্য অমেরুদণ্ডী প্রাণী ইত্যাদির ম্যাক্রো-এগ্রিগেট বা সমন্বয়। 

আরো সহজ করে বললে বায়োফ্লক হলো এমন এক সৃজনশীল ও সাশ্রয়ী উদ্ভাবনী আইডিয়া, যে প্রযুক্তিতে মাছ ও চিংড়ি বা কাঁকড়া, শামুকের জন্য বিষাক্ত বস্তু যেমন নাইট্রেট, নাইট্রাইট, অ্যামোনিয়া পুষ্টিকর খাদ্যে রূপান্তরিত হয়। ফলে এটিকে এক একটি অ্যাকোয়াকালচার সিস্টেম বলা যেতে পারে যা পুষ্টি উপাদানের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে। 

বায়োফ্লক প্রযুক্তিটি থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, চীন, মায়ানমার ও ভারতের স্বল্প পরিসরে সফলভাবে ব্যবহার করা হলেও এটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে আছে বলে মনে করেন মৎস্য বিশেষজ্ঞরা। এ প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রয়েছে। আরো বড় পরিসরে গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

তবে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে খাদ্য অপচয় প্রায় শূন্য। খুব কম পানি পরিবর্তন করে বা একবারও পানি পরিবর্তন না করে ছোট চৌবাচ্চার মধ্যে বেশি ঘনত্বে মাছ চাষ করা যায়। এ কারণে মাছ চাষের স্বপ্ন এখন শহরের সৌখিন চাষীদের জন্য বাস্তব করে তুলেছে এ প্রযুক্তি। ঢাকার আশেপাশে এমনকি উত্তরা এলাকায় বাসাবাড়িতে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে সফল ও বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ শুরু হয়ে গেছে। দেশের বিভিন্ন জেলা শহরেও অনেকে শুরু করে দিয়েছেন। 

কিন্তু বায়োফ্লক প্রযুক্তিটি যেহেতু অত্যন্ত চৌকস (সফিস্টিকেটেড) এ কারণে এ প্রযুক্তি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। আর বাণিজ্যিকভাবে শুরু করার আগে অবশ্যই ছোট পরিসরে চাষ করে অভিজ্ঞতা অর্জন সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। দেশে এখনো বায়োফ্লকের প্রশিক্ষণ নিয়ে তেমন কোনো প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। তবে অনেকে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সংক্ষিপ্ত আকারে গাইড লেখার চেষ্টা করেছেন। নিচে তেমনি একটি গাইডের পিডিএফ বই দেওয়া হলো। সাধারণ পাঠকদের জন্য গাইডটি উন্মুক্ত করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট লেখকের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।

Post a Comment

0 Comments