সাম্প্রতিক

6/recent/ticker-posts

হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে চাষ শুরুর আগে জানুন সুবিধা ও অসুবিধাগুলো

hydroponic farming system
হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে লেটুস চাষ

কর্ষণ ডটকম: হাইড্রোপনিক পদ্ধতি নিয়ে আজকাল খুব আলোচনা হচ্ছে। যেমনটি শোনা যাচ্ছে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের কথা। বিশেষ করে শহরে যারা বাস করেন এবং ফসল উৎপাদনে আগ্রহী তারা এই পদ্ধতির বিষয়ে খুব উৎসাহী। কিন্তু দেশে এখনো এ পদ্ধতির সফল কোনো দৃষ্টান্ত নেই। তাছাড়া এমন কোনো ইনস্টিটিউটও নেই যেখানে যথাযথ প্রশিক্ষণ নেয়া যেতে পারে।

আমাদের জন্য এ পদ্ধতিটি অনেকটা উচ্চাভিলাসী হলেও দক্ষতার সঙ্গে করতে পারলে যে লাভজনক হবে তাতে সন্দেহ নেই। তাই যারা হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে সবজি চাষ করার চিন্তাভাবনা করছেন তাদের আগে এ পদ্ধতির সুবিধা অসুবিধাগুলো জেনে নেয়া দরকার। তার আগে এ পদ্ধতির একটি সংজ্ঞা দেয়া যাক:

“হাইড্রোপনিক্স হলো মাটি ছাড়া ফসল উৎপাদনের একটি কৌশল। পানির মধ্যে পুষ্টি উপাদানগুলো নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করা হয়।”

মাটি ছাড়া চাষাবাদ
এই পদ্ধতিতে আক্ষরিক অর্থেই মাটি ছাড়া প্রায় সব ধরনের ফসল উৎপাদন করা সম্ভব। বাংলাদেশের মতো দেশ যেখানে জনসংখ্যার তুলনায় আবাদযোগ্য জমির পরিমান কম এবং যা আছে দিন দিন সেগুলোও দখল হয়ে উঠছে ঘরবাড়ি, সেখানে হাইড্রোপনিক চমৎকার বিকল্প হতে পারে। তাছাড়া শিল্প কারখানার কারণে যেসব এলাকার মাটি এরই মধ্যে দূষিত হয়ে গেছে সেখানেও এ পদ্ধতি উপযুক্ত। চাইলে শহরেও ছাদের উপর এই পদ্ধতি শাকসবজি চাষ করে অন্তত পরিবারের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। গভীর সমুদ্রের অনাবাদি দ্বীপে সামরিক ঘাঁটিতে খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সেই ১৯৪০ এর দশক থেকেই এ পদ্ধতি ব্যবহার করে। এছাড়া মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসাও দীর্ঘ মহাকাশ যাত্রা বা আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে মহাকাশচারীদের খাদ্যের জোগান দিতে এ পদ্ধতি অবলম্বনের চেষ্টা করছে।

জায়গার সর্বোচ্চ ব্যবহার
এই পদ্ধতিতে যেহেতু ফসল ফলানো হয় খুবই নিয়ন্ত্রিত একটি ব্যবস্থার মধ্যে সেহেতু খুব ছোট জায়গাতেও উল্লেখযোগ্য পরিমানে ফসল আবাদ করা সম্ভব। একটি অ্যাপার্টমেন্টে ছোট্ট বারান্দা এমনকি শোয়ার ঘরের ফাঁকা জায়গাটাতেও চাইলে হাইড্রোপনিক উপায়ে শাকসবজি আবাদ করা সম্ভব।

এর কারণ মাটি থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করতে গাছের শিকড় অনেক দূর অবধি বিস্তৃত হতে হয়। কিন্তু হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে একটি ট্যাঙ্কের ভেতর যথেষ্ট পরিমানে পানি ও পুষ্টি উপাদান দেয়া থাকে, ফলে সেই ট্যাঙ্কের ভেতর শিকড়গুলো জড়াজড়ি থাকলে থাকলেই চলে। তাছাড়া এভাবে গাছ তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানগুলো সরাসরি নিতে পারে। ফলে পুষ্টি অপচয় হয় না। অর্থাৎ ছোট জায়গাতেই বেশি পরিমানে গাছ লাগিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিজে হিসাব করে প্রয়োগ করা যায়।

পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ
গ্রিন হাউসের মতোই হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতেও পরিবেশের তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, আলোর তীব্রতা এবং বাতাসের মান সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এর অর্থ হলো, হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে যে কোনো ফসলই আপনি সারা বছর আবাদ করতে পারবেন। জমিতে আবাদের মতো মৌসুমের ওপর আর নির্ভরকরতে হবে না। কৃষকরা সাধারণত নির্দিষ্ট মৌসুমে নির্দিষ্ট ফসল আবাদ করে এতে ফলন বাড়ে তার লাভ বেশি হয়। কিন্তু হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে আপনি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের মধ্যে বছরের যেকোনো সময় যেকোনো শাকসবজি চাষ করতে পারবেন এবং সর্বোচ্চ ফলন পাবেন। ফলে ব্যবসায়িকভাবে আরো লাভজনক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ অসময়ের শাকসবজির দাম বেশি পাওয়া যায়।

পানি সংরক্ষণ
হাইড্রোপনিক পদ্ধতি ফসলে পানি লাগে তুলনামূলক কম। সাধারণ জমিতে একটা ফসল ফলাতে যে পরিমান পানি লাগে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে তার মাত্র ১০ শতাংশ পানিই যথেষ্ট। কারণ এতে একই পানি ঘুরে ফিরে ব্যবহার করার ব্যবস্থা থাকে। গাছ তার প্রয়োজনীয় পানি শোষণ করে বাকিটা আবার সিস্টেমের ভেতর দিয়ে ঘুরে আসে। এ ব্যবস্থায় পানির অপচয় হয় মাত্র দুটি উপায়ে: জলীয়বাষ্প আকারে কিছু উড়ে যায়, আবার সিস্টেম কোথাও লিক (ছিদ্র) থাকলে। অবশ্য পুরো সিস্টেমটাকে ঠিকমতো সেট করতে পারলে এই অপচয়ও অনেকাংশে কমিয়ে আনা যায়।

এক হিসাবে দেখা গেছে, ভূগর্ভস্থ পানির ৮০ শতাংশই খরচ হয় কৃষিকাজে। যেখানে সারা দুনিয়াতেই স্বাদু পানির সঙ্কট তীব্রতর হচ্ছে। যে হারে মানুষ বাড়ছে তাতে আরো বেশি খাদ্য উৎপাদন করার দরকার হবে। তার মানে পানির চাহিদাও ব্যাপকভাবে বাড়বে। সেক্ষেত্রে হাইড্রোপনিক হতে পারে সবচেয়ে কাযকর বিকল্প।

পুষ্টি যথার্থ  ও কাযকর ব্যবহার
হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ শতভাগ নিয়ন্ত্রণই খামারির হাতে। নির্দিষ্ট বয়সী একটি ফসলের চারার কো পুষ্টি কতোখানি দরকার সেটি হিসাব করে দেয়া যায়। এই ব্যবস্থায় পুষ্টি দেয়া হয় পানিতে মিশিয়ে। আর সেই দ্রবণ থাকে একটি ট্যাঙ্কে ফলে পুষ্টির অপচয় হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। 

দ্রবণের পিএইচ নিয়ন্ত্রণে
এ ব্যবস্থায় সব খনিজ (মিনারেল) থাকে ট্যাঙ্কের পানিতে। ফলে খুব সহজেই দ্রবণের পিএইচ মাত্রা পরিমাপ করা যায়। এই মাত্রা মাটির পিএইচের সঙ্গে তুলনা করা যায়। ফলে ফসলের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি একেবারে নিখুঁতভাবে সরবরাহ করা যায়।

ফসলের বৃদ্ধি
মাটির চেয়ে হাইড্রোপনিক ব্যবস্থায় ফসলের বৃদ্ধি দ্রুত হয়। এখানে খামারিই সবকিছুর নিয়ন্ত্রক। তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, আলো, বাতাস এবং বিশেষ করে পুষ্টির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রথ তার হাতে। ফলে ফসলকে একটি আদর্শ পরিবেশের মধ্যে রাখা যায়। সব কিছুই থাকে পরিমিত। ফলে এখানে উদ্ভিদকে মাটিতে বিদ্যমান পুষ্টি উপাদান খুঁজে বের করতে মূল্যবান শক্তিক্ষয় করতে হয় না। সব কিছু পানিতে দ্রবীভূত থাকায় সহজেই তা পেয়ে যায়। ফলে শরীর বৃদ্ধি ও ফল উৎপাদনই হয় উদ্ভিদের প্রধান কাজ।

আগাছামুক্ত
মাটিতে ফসল আবাদ করলে আগাছাদমন অনেক বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের দেশের কৃষকরা প্রযুক্তিতে অদক্ষ হওয়ার কারনে তারা আগাছাদমনের সহজ উপায় হিসেবে বেছে নিয়েছেন আগাছানাশক বিষ। এতে আগাছা থেকে মুক্তি মিললেও ক্ষতি হয়ে গেছে বিশাল। আমরা হারিয়ে কয়েক প্রজাতির দেশী মাছ, শামুক, কাঁকড়া, ব্যাঙ, প্রকৃতির লাঙ্গল কেঁচো, অনেক প্রজাতির উপকারী পোকা। এই বিষ মিশ্রিত পানি পার্শ্ববর্তী জলাশয়ে গিয়ে নষ্ট করে দিয়েছে আমাদের পানির আধারগুলোও। দেশের পাখির সংখ্যা কমে যাওয়ার পেছনেও এই আগাছানাশকের ভূমিকা রয়েছে।

হাইড্রোপনিকে যেহেতু মাটির কারবার নেই, তাই আগাছা নিয়ে চিন্তা নেই। অবশ্য এর মানে এই নয় যে, আমাদের ফসল আবাদের সম্পূর্ণ বিকল্প হতে হাইড্রোপনিক। সেটি সম্ভব নয়। কিন্তু এই পদ্ধতির একটি সুবিধা বড় সুবিধা এটি।

পোকামাকড় ও রোগবালাই কম
মাটি না থাকার কারণে যেমন আগাছা থেকে মুক্ত থাকা যায় তেমনি মাটিবাহিত রোগ থেকেও নিরাপদ থাকা যায়। তাছাড়া যেহেতু আবদ্ধ একটি ব্যবস্থার মধ্যে ফসল চাষ করা হয় সে কারণ পাখি, পোকামাকড় অন্যান্য জীবাণু যেমন ফুসারিয়াম, পাইথিয়াম, রাইজোকটনিয়াসহ কয়েক প্রজাতির ক্ষতিকর ছত্রাক থেকে বেঁচে থাকা যায়। তাছাড়া নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা হওয়ার কারণে ক্ষতিকর অনেক কিছু থেকে ফসল রক্ষা করা সহজ হয়।

কীটনাশক ও আগানাশকের ব্যবহার হ্রাস
মাটি ব্যবহার না করার কারণে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে ফসলের আগাছা, পোকামাকড় ও রোগবালাই খুবই কম হয়। ফলে কীটনাশক বা আগাছানাশকের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারও প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনা যায়। ফলে স্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা যায়। আর কীটনাশক ছাড়া উৎপাদিত ফসলের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বাজারে এ ধরনের শাকসবজি বেশি দামে বিক্রি হয়।

শ্রম ও সময় বাঁচে
শ্রমিক সঙ্কট আজকাল কৃষি অন্যতম সমস্যায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে জমি চাষ, পানি সেচ, আগাছা পরিষ্কার, সার ও কীটনাশক ছিটানো ইত্যাদি কাজগুলো যেহেতু করতে হয় না তাই শ্রমিকের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য পরিমানে কমিয়ে আনা যায়। শুধু ফসল রোপণ ও সংগ্রহের সময় শ্রমিক নিতে হতে পারে, অবশ্য যদি আপনার প্রজেক্ট হয় অনেক বড়।

আবার আগেই বলা হয়েছে হাইড্রোপনিক ব্যবস্থায় মাটির চেয়ে দ্রুত ফসলের বৃদ্ধি ঘটে। বিশেষ করে শাকসবজি চাষ করলে অত্যন্ত কম সময়ে ফসল তোলা যায়। অর্থাৎ এক্ষেত্রে সময়ও অনেক লাগছে। বিশেষ করে পুরোপুরি প্রযুক্তি ভিত্তিক একটি  কৃষিখামার করতে চাইলে হাইড্রোপনিক হতে পারে উত্তম পছন্দ।

তবে এ পদ্ধতির কিছু অসুবিধাও আছে। যেমন:

সময় ও ধৈর্য
হাইড্রোপনিক পদ্ধতির কৃষি কিন্তু সবার জন্য নয়। মাটিতে যেমন সহজেই যেকোনো ফসল ফলানো যায়, এর জন্য পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও চলে। হাইড্রোপনিক কিন্তু অতোটা সহজ নয়। ধৈর্য ধরে সময় নিয়ে এ পদ্ধতি শিখতে হয়। এর জন্য কিছু প্রাথমিক জ্ঞান থাকাটা জরুরি। যেমন: মাটিতে সাধারণত গাছের পুষ্টি উপাদান প্রাকৃতিকভাবেই পরিমিত পরিমানে থাকে। হাইড্রোপনিকে এই পুষ্টি ভারসাম্য সম্পূর্ণ খামারির হাতে। তার হাতেই ফসলের প্রাণ ও ফলন নির্ভরশীল। তাকেই বুঝতে কোন ফসলে, কোন পর্যায়ে কী পরিমানে কোন পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন। ফলে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে ফসলের যত্ন নেয়াটা বেশ কঠিন কাজ। এ সম্পর্কে পরিষ্কার জ্ঞান না থাকলে প্রজেক্টে লোকসানের সম্ভাবনাই বেশি।

জৈব বিতর্ক
হাইপড্রোপনিক পদ্ধতিকে জৈব কৃষি বলা যাবে কিনা এ নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। এমনকি অনেকে বলেন, মাটিতে যেরকম উদ্ভিদের জন্য উপকারী অণুজীব থাকে সেটি কি হাইড্রোপনিক ব্যবস্থার মধ্যেও উৎপাদন করা সম্ভব? যদি না হয় তাহলে এটিকে কোনোভাবে জৈব কৃষি বলা যাবে না।

তবে যাই হোক অনেক উন্নত দেশ অন্তত এক দশক ধরে এ পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন করে জাতীয় চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য পূরণ করছে। এ তালিকায় আছে অস্ট্রেলিয়া, জাপান, নেদারল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্র। এসব দেশে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে প্রচুর পরিমানে লেটুস, টমেটো, স্ট্রবেরি ইত্যাদি সবজি ও ফল উৎপাদন করা হয়। তাছাড়া এ পদ্ধতিতে কীটনাশক ব্যবহার খুব কম হয় বলে এভাবে উৎপাদিত ফসলের চাহিদাও বাজারে দিন দিন বাড়ছে। যেখানে সাধারণ কৃষিতে আজকাল কীটনাশক, আগাছানাশক হিসেবে প্রচুর পরিমাণে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার কর হচ্ছে।

অবশ্য হাইড্রোপনিক পদ্ধতিকে জৈব পদ্ধতির আরো কাছাকাছি নিতে অনেকে বেশ কয়েকটি পদ্ধতির কথা বলেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, অনেকে হাইড্রোপনিক ব্যবস্থার মধ্যে মাটির অণুজীব তৈরি করতে কোকো কয়ের বা এই সিস্টেমের মধ্যে বাঁচতে পারে এমন কীট ব্যবহার করে। আবার পুষ্টি হিসেবে রাসায়নিক ব্যবহারের পরিবর্তে মাছ ও হাঁস পালন প্রজেক্টের পানির ব্যবহার, হাড়-কাঁটা, আলফালফা, তুলাবীজ, নিম ইত্যাদির নিযাস ব্যবহার করেন অনেকে।

প্রাথমিক বিনিয়োগ একটু বেশি
পুরো হাইড্রোপনিক সিস্টেম তৈরি করতে প্রাথমিকভাবে বেশ মোটা অংকের বিনিয়োগ দরকার পড়ে। কন্টেইনার, লাইট, পাম্প, টাইমার, গ্রোয়িং মিডিয়া, পুষ্টি উপাদান ইত্যাদি কেনারা পাশাপাশি সিস্টেম সেটআপে ভালো টাকা বেরিয়ে যাবে। তবে একবার সেটআপ হয়ে গেলে কিন্তু খরচ অনেকখানি কমে আসবে। এরপর শুধু মেইটেন্যান্স। পরবর্তীতে শুধু পুষ্টি আর আলো ও পানি সচল রাখার পাম্প চালাতে বিদ্যুৎ বিলের বাইরে আর খরচ নেই বললেই চলে। তাছাড়া এই বিনিয়োগ হতে হয় দীর্ঘমেয়াদে। সিস্টেম সেটআপের খরচ তুলতে হয়তো কয়েকটা ফসল তোলার সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

এখানে আরেকটি বড় ভয় হলো, একবার রোগবালাই ধরলে কিন্তু দ্রুত পুরো খামারে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে সবসময় খামারটিকে কঠোর নজরদারির মধ্যে রাখতে হয়।

আরো পড়ুন:

Post a Comment

0 Comments