সাম্প্রতিক

6/recent/ticker-posts

চিনা চাষ পদ্ধতি

লবণাক্ত জমিতে ধান না হলে চিনা চাষ করুন
চিনা

যেসব এলাকায় ধান চাষ কঠিন যেমন: উপকূলের লবণাক্ত জমি বা চরে বিকল্প হিসেবে চিনা চাষ করা যেতে পারে। এতে খরচ কম, পরিশ্রম কম কিন্তু লাভ বেশি। এ ফসলের চাষ পদ্ধতি সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলো:

মাটি
পানি জমে না এমন বেলে দোআঁশ মাটি চীনা চাষের জন্য বেশ উপযোগী।

বপনের সময়
মধ্য-কার্তিক থেকে পৌষ মাস (নভেম্বর থেকে মধ্য-জানুয়ারি)।

বীজের হার
চীনা বীজ ছিটিয়ে এবং সারিতে উভয় পদ্ধতিতেই বোনা যায়। ছিটিয়ে বুনলে হেক্টরপ্রতি ২০ কেজি এবং সারিতে বুনলে ১৮ কেজি বীজের প্রয়োজন হয়। সারিতে বীজ বুনলে ২ সারির মাঝে দূরতব হবে ২০-৩০ সেমি। সারিতে চারা গজানোর পর ৬-৮ সেমি দূরত্বে একটি করে চারা রেখে বাকি চারা তুলে ফেলতে হবে।

সারের পরিমাণ
সাধারণত অনুর্বর জমিতে চীনার চাষ করা হলেও সার প্রয়োগ করে ফলন বাড়নো যায়। চীনা চাষের জন্য হেক্টরপ্রতি নিম্নরূপ হারে সার প্রয়োগ করা যায়।

সারের নাম সারের পরিমাণ/হেক্টর
ইউরিয়া         ৮০-১০০ কেজি
টিএসপি ৬৫-৭৫ কেজি
এমপি          ৩০-৪০ কেজি

সার প্রয়োগ পদ্ধতি
সেচবিহীন চাষে সম্পূর্ণ সার শেষ চাষের সময় প্রয়োগ করতে হবে। কিন্তু সেচের ব্যবস্থা থাকলে শেষ চাষের সময় অর্ধেক ইউরিয়া এবং সবটুকু টিএসপি ও এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে। বাকি অর্ধেক ইউরিয়া বীজ বপনের ৩৫-৪০ দিন পর উপরি প্রয়োগ করতে হবে।

পানি সেচ
মাটিতে রসের অভাব হলে ১-২টি হালকা সেচ দেওয়া যেতে পারে।

সংগ্রহ
শীষ খড়ের রং ধারণ করলে তখন বুঝতে হবে ফসল কাটার সময় হয়েছে।
## সব ধরনের ফসল চাষের সম্পূর্ণ গাইড ##

Post a Comment

0 Comments